Contact us for any information: 01781112484

Blog Details

পরীক্ষায় ভাল করতে চাইলে যে ৭ টি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে

HSC পরীক্ষা ও ইউনিভার্সিটি ভর্তি বিষয়ক যেকোন তথ্য ও সাহায্যের জন্য এখনি জয়েন করুন আমাদের Facebook Group HSC Corner(এইচএসসি কর্নার) - এ

 

আম্মু একবার এসে বলে পড়তে বসোনা কেন? আবার আব্বু একবার এসে বলে লিখতে বসোনা কেনো তাদের কি করে বোঝাবো পড়ালেখা ভালো লাগেনা! আচ্ছা, হঠাৎ এমন যদি হতো, পৃথিবী থেকে পড়াশুনা উঠে যেত, কিংবা পড়াশুনা থাকলেও পরীক্ষা যদি উঠে যেত, কত ভালোই না হতো। পরীক্ষা ছাড়া ছাত্র জীবন শুধুই আনন্দ আর সুখময়! কথায় আছে, ছাত্র জীবন সুখের জীবন, যদি না থাকে এক্সামিনেশন ! আর এই পরীক্ষার ভয়ে কতো দুর্বল ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশুনা থেকে অসময়ে ঝড়ে গেছে তার শেষ নেই। পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বা চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক। পড়ালেখা থাকলেই পরীক্ষা থাকবে। এর থেকে রেহাই পাবার কোনো উপায় নেই। তাই পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া আমাদের প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীদের আরাধ্য। এক্ষেত্রে সকল বিষয় এর ওপর সুস্পষ্ট ধারনা রাখার সাথে সাথে পরীক্ষার খাতায় কি ভাবে তা উপস্থাপন করলে বেশি নম্বর আসে তা জেনে রাখাটা অত্যন্ত জরূরী। এমন আমাদের অনেকের সাথেই হয়, পরীক্ষার হলে খাতা ভরতি করে লিখে দিয়ে আসলাম কিন্তু ফলাফলের সময় এসে দেখি নম্বর একদম ই কম পেয়েছি। আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় একদা একসময় ছিল যখন খাতা ভরতি করে লিখলেই ভালো নম্বর পাওয়া যেত কিন্তু এখন শিক্ষা ব্যাবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। যৌক্তিক ও প্রসঙ্গ সম্পর্কযুক্ত উত্তর না লিখলে নম্বর কম পাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক

যে বিষয় গুলোর দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে-

১. প্রশ্নের উত্তরে সৃজনশীলতা থাকাঃ

পরীক্ষা চলা কালে কোনো প্রশ্নের উত্তর মনে নাও থাকতে পারে। তখন প্রশ্নের আলোকে উত্তর গুছিয়ে লিখার দক্ষতা থাকাটা খুবই জরুরি। গুছিয়ে লিখার দক্ষতা বাড়াতে হবে। এবং উদ্দীপক বা একলাইন বার বার লিখা যাবেনা।

২.পরিষ্কার হাতের লিখাঃ
হাতের লিখা ভালো হতে হবে এমন কোনো কথা নাই। তবে হাতের লেখা পরিষ্কার হতে হবে। পরীক্ষার খাতায় হাতের লেখা ভালো হলে পরীক্ষকের একটা আলাদা আকর্ষন তৈরী হয়। প্রবাদ আছে, "আগে দর্শনধারী পরে গুন বিচারী" । কাটা - কাটি কম করার চেষ্টা করবে। কাটা গেলে একটানে কাটতে হবে।

৩.সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর প্যারা করে লিখাঃ

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর মান বন্টন এর উপর ভিত্তি করে প্যারা প্যারা করে লিখলে তা দেখতে সুন্দর লাগে, একই সাথে উত্তরে উপস্থাপিত তথ্য ভালোভাবে শিক্ষকের চোখে পড়ে এবং উপস্থাপিত  তথ্য সুস্পষ্ট ভাবে দৃষ্টিগোচর হয়।বেশি নম্বর পেতে সাহায্য করে।

৪. সময় মেপে উত্তর করা এবং কোনো প্রশ্ন উত্তর না করে ছেড়ে না আসাঃ

৭ টা প্রশ্নের জন্য ২ ঘন্টা ২০ মিনিট সময় থাকলে অবশ্যই ঘড়ি ধরে প্রশ্ন পিছু ১৮-২০ মিওনিট ধরে লিখতে হবে। চেষ্টা করবে ঘড়ি ব্যাবহার করতে। পরীক্ষায় খালি খাতা জমা দিয়ে আসার চাইতে প্রসঙ্গ সম্পর্কিত কিছু লিখে দিয়ে আসাটা অত্যন্ত ভালো। "এমন যেন না হয় উত্তর চাইলো আম গাছ লিখে দিয়ে আসলাম কলা গাছ" ভেবে নিলাম গাছ গাছ তো মিল আছেই! এমন যেন কখনোই না হয়। পরীক্ষার খাতায়  লিখে আসতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে সবগুলো প্রশ্নের করার। 

৫.বহূনির্বাচনী প্রশ্ন গুলোর সব উত্তর দিতে হবেঃ

তুমি জিপিএ ৫ পাবে কিনা তা নির্ভর করবে  তোমার বহুনির্বাচনী পরীক্ষা কতটা ভালো হলো অনেকটা তার ওপর।তোমাকে সব গুলোর উত্তর দিতেই হবে। এবং সুন্দর করে বৃত্ত ভরাট করে উত্তর গুলো দিতে হবে।উত্তর পত্রে একই প্রশ্নের উত্তরে একাধিক বৃত্ত ভরাট করা যাবেনা।এবং অবশ্যি বৃত্ত ভরাটের ক্ষেত্রে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে।

৬. আত্মবিশ্বাস:

পরীক্ষায় হলে প্রশ্ন দেখে ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না। আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। মাথায় রাখবে তুমি যদি কমন নাও পাও তবুও ১০০ মার্কের উত্তর করে বের হতে হবে।

৭. প্রশ্ন ভালোভাবে পড়া এবং নিশ্চিত  প্রশ্ন সবার আগে উত্তর  করাঃ 

পরীক্ষার সময় ধৈর্য সহকারে পড়ে এবং যা চেয়েছে তা বুঝে লেখার চেষ্টা করে যেটা পারো, সেটা আগে উত্তর কর। জটিল উত্তর গুলো আগে না করে সহজগুলো আগে উত্তর করতে হবে। যে প্রশ্নের উত্তর অজানা তা নিয়ে সময় নষ্ট না করাটাই ভালো। আর এসব প্রশ্নের উত্তর করলেও তা মাঝামাঝি দিকে উত্তর করার চেষ্টা করবে।

আর হ্যাঁ, তোমার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ -এর উপর ভিত্তি করে কোন কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমার পরীক্ষা দেবার সুযোগ রয়েছে তা জানতে ভিজিট কর এখানে।

সাধ্যের মাঝে সেরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়টি বেঁছে নিতে ভিজিট করতে পারো আমাদের Compare cheapest private university in Bangladesh এই লিঙ্কে

সব শেষে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা। আশা করি তোমাদের সামনের পরীক্ষা গুলো চমৎকার হবে এবং বাবা-মার শত কষ্টের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবে। ধন্যবাদ।

0 Comments
Leave A Comment
Subcribe weekly newsletter